
এশিয়া কাপের (৯–২৮ সেপ্টেম্বর) সমাপ্তির ঠিক পরই মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ অক্টোবর শুরু হবে দুই দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, যা শেষ হবে ৫ অক্টোবর। এরপর ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যার বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১১ ও ১৪ অক্টোবর।
দুই দলের এই সিরিজে মোট তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলা হবে। সিরিজ আয়োজনের লক্ষ্য হলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দর্শকরা উত্তেজনাপূর্ণ ও উচ্চমানের ক্রিকেট উপভোগ করতে পারেন।
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) সিইও নসীব খান বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে স্বাগত জানাতে গর্বিত। এই সিরিজ আমাদের পারস্পরিক অংশীদারিত্বের শক্তি এবং বিশ্বমানের ক্রিকেট অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার যৌথ প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।”
এদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “এশিয়া কাপের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক ও রোমাঞ্চকর সিরিজের অপেক্ষায় আছি। এটি আমাদের জন্য মূল্যবান সুযোগ এবং দুই বোর্ডের সুদৃঢ় সম্পর্ককে তুলে ধরে।”
এভাবে এশিয়া কাপ শেষ হতেই দুই দল সরাসরি মাঠে লড়াইয়ে নেমে দর্শকরা পাবেন ধারাবাহিক উত্তেজনা ও উচ্চমানের ক্রিকেট। এই সিরিজ ২০২৩ সালের পর থেকে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।